Priyo.com 21 Jan, 2017

“পাঁচ হাজার লোকের কর্মসংস্থান করতে চাই”

-তৌহিদ হোসেন

এম. মিজানুর রহমান সোহেল – ২১ জানুয়ারি ২০১৭, সময়-১৭:২৫

ফিফোটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্য)-এর সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন। এছাড়াও তিনি ইন্ডাস্ট্রিস স্কিল কাউন্সিল (আইএসসি) ও আইসিটি এর কোষাধ্যক্ষ, ই কমার্স অ্যাসোসিয়েসন অব বাংলাদেশের সার্ভিস ডেলিভারি কমিটির চেয়ারম্যান, দ্য ফেডারেশন অব চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)-এর সদস্য। ১৯৯৮ সালে কম্পিউটার সার্ভিস করে তিনশত টাকা আয়ের মধ্য দিয়ে তার কর্মজীবন শুরু, সেই প্রেরণা  তিনি আজও ভোলেননি। অদম্য পরিশ্রম ও সাধনার মাধ্যমে বর্তমান অবস্থানে তিনি সুপ্রতিষ্ঠিত ও সুপরিচিত।

পারিবারিক জীবন:

তৌহিদ হোসেন ১৯৮১ সালের ২১ জানুয়ারি ঢাকার ধানমন্ডিতে জন্মগ্রহণ করেন। তার গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া। বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা জাকির হোসেন ও মা গৃহিণী ফাতেমা হোসেন। দুই ভাই বোনের মধ্যে তিনি ছোট। তাঁর বোন পরিবার নিয়ে কাতার থাকেন। তৌহিদ হোসেনের সহধর্মিণী তানজিলা হায়দার। তাঁদের এক ছেলে তাহসিন আইয়ান (৮) এবং এক মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস আরিশা (৪)।

কাছের বন্ধু:

তৌহিদ হোসেন একজন আড্ডাপ্রিয় মানুষ। উনার কাছের বন্ধুর তালিকা বেশ লম্বা। তাদের মধ্যে টুটুল, মিথুন, রিয়াদ, তসলিম, সুখন, রিমি জয়ন্ত বিশেষ উল্লেখযোগ্য। আবার অনেক বন্ধু আছেন যারা বিদেশে থেকে দেশের জন্য কাজ করছেন।

পড়াশোনা:

মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে তাঁর স্কুল জীবন শুরু। এসএসসি পাশ করার পর বি.এ.এফ শাহিন কলেজ থেকে এইচএসসি শেষ করে দ্যা ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক থেকে সিএসই (কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং) তে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করেন।

পেশা:

২০০২ সালে ছাত্র জীবনেই তিনি ফিফোটেক প্রতিষ্ঠা করেন। অনেক পরিশ্রম-ধর্ম-সাধনা এবং অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে আজ ফিফোটেক একটি দেশের অন্যতম সুপ্রতিষ্ঠিত ও সুপরিচিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে তিনি গড়ে তুলেছেন। বর্তমান এই প্রতিষ্ঠানে ২০০ জনের বেশি মানুষ কর্মরত আছেন। ব্যবসার পাশাপাশি তিনি অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য বেশ কয়েকটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, নূর বাংলা ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন।

বর্তমানে ব্যস্ততা:

বর্তমানে তিনি তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে ব্যস্ত। তরুণ প্রজন্মকে উদ্দ্যমী ও তাদের স্কিল ডেভেলপমেন্টে নিয়ে তিনি কাজ করছেন। তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে কাজ করতে পারার আনন্দে তিনি নিজেই উজ্জীবিত ও আনন্দিত হন বলে জানান।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা:

আগামী তিন চার বছরের মধ্যে আরো তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে কাজ করার ইচ্ছা রয়েছে। তিনি বলেন, আমার প্রতিষ্ঠান ফিফোটেকে পাঁচ হাজার লোকের কর্মসংস্থান করতে চাই। একই সাথে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের একজন সৈনিক হয়ে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি সেক্টরকে গ্লোবাল পজিশনে নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে।

আত্মতৃপ্তি:

তৌহিদ হোসেন পড়াশোনা করেছেন কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে। ছাত্রজীবন থেকেই সিএসই পড়াশোনার পরিবর্তে আনন্দ হিসেবে নিয়েছিলেন এবং স্বপ্ন ছিল এই সেক্টরেই কাজ করার। দেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন এবং ডিজিটাইজড করার লক্ষ্যে কাজ করতে পারায় তিনি আত্মসন্তুষ্ট।